Wednesday, February 25, 2026
Home Blog

শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন জরুরি|ভুক্তভোগী দেশবাসীর প্রত্যাশা

শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন জরুরি|ভুক্তভোগী দেশবাসীর প্রত্যাশা

​নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ প্রতি-প্রহর

​বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বড় অংশের মানুষের মধ্যে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশ যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাতে সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে বিশ্লেষকদের অনেকেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। বিশেষ করে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার অভাব একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেখ হাসিনা

​বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশের যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, তার মূলে ছিল শেখ হাসিনার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পগুলো দেশের অর্থনীতিতে যে গতি এনেছিল, বর্তমান অস্থিতিশীলতায় তা থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সাধারণ মানুষের মতে, বড় ধরনের কোনো বৈদেশিক ষড়যন্ত্র বা ‘ভুল বোঝাবুঝি’র ফাঁদে পড়ে আজ দেশের প্রবৃদ্ধি হুমকির মুখে। উন্নয়নের এই চাকা সচল রাখতে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন।

​সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে আসছে যে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তনটি কেবল অভ্যন্তরীণ আন্দোলন ছিল না, বরং এর পেছনে কাজ করেছে সুগভীর এক বিদেশি চক্র। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানকে ব্যবহার করতে চাওয়া বিশেষ কিছু শক্তির ‘পাতানো ফাঁদে’ পা দিয়েছিল একদল বিভ্রান্ত তরুণ ও সুযোগসন্ধানী পক্ষ। আজ যখন সাধারণ মানুষ দেখছে যে সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেওয়ার ভয় বাড়ছে এবং বিদেশি প্রভাব প্রকট হচ্ছে, তখন তারা পুনরায় শেখ হাসিনার সেই কঠোর ও আপোষহীন নেতৃত্বের অভাব বোধ করছে।

​আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা জনমনে ভীতির সৃষ্টি করেছে। শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদ দমন এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার যে সুদৃঢ় অবস্থান ছিল, বর্তমানে তা শিথিল হয়ে পড়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এখন মনে করছে যে, তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগের মতো একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক শক্তির রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা আবশ্যক।

​আবেগ আর গুজবের বশবর্তী হয়ে যারা একসময় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিল, তাদের বড় একটি অংশ এখন বাস্তবতার মুখোমুখি। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রশাসনিক স্থবিরতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চিত্র দেখে দেশবাসী বুঝতে পারছে যে তারা একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। “দেশবাসী ভুল বুঝতে পেরে আবারো শেখ হাসিনাকে চাচ্ছে”—এই দাবিটি এখন আর কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং গ্রামীণ জনপদ থেকে শুরু করে নগরের চায়ের আড্ডাতেও একটি আলোচিত বিষয়।

​রাষ্ট্র পরিচালনা কোনো আবেগের বিষয় নয়, এটি অভিজ্ঞতার বিষয়। শেখ হাসিনার দীর্ঘ ৪ দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বৈশ্বিক নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্ক বাংলাদেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল, বর্তমান নেতৃত্ব তা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। দেশের সংকটময় মুহূর্তে একজন অভিজ্ঞ অভিভাবকের প্রয়োজনীয়তা আজ সর্বাধিক।
​বাংলাদেশ আজ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বিদেশি শক্তির দাবার ঘুঁটি হওয়া থেকে বাঁচতে এবং উন্নয়নের হারানো গৌরব ফিরে পেতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের পুনঃপ্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সমর্থক ও সচেতন নাগরিকেরা।

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

​বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে একটি চাঞ্চল্যকর আলোচনা ডালপালা মেলছে। গুঞ্জন উঠেছে, রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের হাত ধরেই কি ফের দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছে আওয়ামী লীগ? ভারত ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে কোনো গোপন ‘মিশন’ বা সমঝোতা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন এখন টক অফ দ্য টাউন।
​নেপথ্যের রসায়ন ও সম্ভাব্য ‘মিশন’
​সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে কিছু নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের দীর্ঘদিনের মিত্র আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে পর্দার আড়ালে ব্যাপক তৎপরতা চলছে। অন্যদিকে, নির্বাচনের পর আওয়ামী মনোভাবে তারেক রহমান ও বিএনপির আকষ্মিক নমনীয় অবস্থান নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেয়।
​গুঞ্জন রয়েছে যে, আমেরিকার চতূর আগ্রাসনের বিপক্ষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে রাষ্ট্রের শীর্ষ দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি—রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান—সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এর কোনো ভিত্তি এখনও পাওয়া যায়নি।



​এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের খবরে একাত্তর বিরোধী পাকিস্থানী বা মৌলবাদী চেতনাধারী চরমপন্থী শক্তি এবং কট্টর আওয়ামী বিরোধীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা বা ‘ভূতুড়ে আর্তনাদ’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত ৫ই আগস্টের পর যারা মনে করেছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির অধ্যায় চিরতরে সমাপ্ত, তাদের জন্য এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ একটি বড় ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নির্বাচনে জটিল পরিস্থিতি থেকে আকষ্মিক বিএনপির ভাগ্য খুলে যাওয়ার পিছনে আওয়ামী লীগের নেপথ্য কারিগরি কৌশলকেই মানা হচ্ছে। নির্বাচনের পরপরই বিএনপির গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, দেশব্যাপী ঝড়ের বেগে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে দেওয়া, আটক নেতা কর্মীদের অবাধ জামিন সহ এনসিপি-জামায়েতের শীর্ষ নেতা কর্মীদের উপর গণহামলা ইত্যাদি কারনে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের সুখবর জোরালো হচ্ছে।

​রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে মফস্বলের চায়ের দোকান—সবখানেই এখন একই আলোচনা। মানুষ জানতে চায়, আসলেই কি কোনো বড় পরিবর্তন আসছে? নাকি এটি কেবলই রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। যেহেতু ভূরাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থবিড়তা ভারতের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল সেহুতু ভারত আইনগতভাবেই বাংলাদেশ বিষয়ে তার সর্বচ্চো কুটনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতা আরোপ করবেই। এছাড়াও দক্ষিন এশিয় আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে রাশিয়া, চীন সহ আমেরিকা বিরোধী সকল রাষ্ট্রই বাংলাদেশ-ভারতের নিরাপদ সুসম্পর্ককেই প্রাধান্যে রাখবে।

নড়াইলে মালিবাগ মোড় থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

নড়াইলে মালিবাগ মোড় থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

​নিজস্ব প্রতিবেদক, নড়াইল | সংবাদ প্রতি প্রহর

​নড়াইল জেলা শহরের মালিবাগ মোড় এলাকা থেকে এক নবজাতক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকটির মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল শহরের ব্যস্ততম মালিবাগ মোড় এলাকায় রাস্তার পাশে একটি কাপড়ে মোড়ানো বস্তু পড়ে থাকতে দেখে পথচারীদের সন্দেহ হয়। কৌতূহলবশত কাছে গিয়ে তারা একটি নবজাতকের নিথর দেহ দেখতে পান। মুহূর্তেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমায়। পরে বিষয়টি নড়াইল থানা পুলিশকে জানানো হয়।



খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে শিশুটিকে এখানে ফেলে গেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
​নড়াইল সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনার পেছনে কারোর অবহেলা বা কোনো অপরাধমূলক ঘটনা জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
​এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নবজাতকের পরিচয় বা তার পরিবারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
(ছবি সংগৃহীত)

নড়াইলে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ | এখন পর্যন্ত নিহত ৫!

নড়াইলে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ | এখন পর্যন্ত নিহত ৫!

নড়াইলে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ | এখন পর্যন্ত নিহত ৫!

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬|| দুপুর ১২.২০

নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ এবং খলিল গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নড়াইল সদর থানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বার্তা বাজারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন, উপজেলার বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার পুত্র তাহাজ্জুদ হোসেন একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন এবং সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও খলিল এর লোকজনের মাঝে মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার পুত্র তাহাজ্জুদ হোসেন ও পক্ষীয় ফেরদৌস হোসেন মারা যান। এসময় গুরুতর আহত অপর পক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর সহ আরো কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন, বেলা ১১ টার দিকে আরো একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বার্তা বাজারকে বলেন, ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারা দেশে ভোটের আগের দিন থেকেই ভোটগ্রহণ চলছে, শুরুর আগেই নির্বাচন শেষ

সারা দেশে ভোটের আগের দিন থেকেই ভোটগ্রহণ চলছে: কেন্দ্র দখল ও কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত জনপদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ প্রতি প্রহর

ঢাকা: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

​দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। তবে উৎসবমুখর পরিবেশের পরিবর্তে অনেক স্থানেই আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা দানা বেঁধেছে। নির্বাচনের আগের রাত থেকেই বিভিন্ন জেলায় ব্যালট পেপারে আগাম সিল মারা, ভোটকেন্দ্র দখল এবং বিরোধী প্রার্থীদের সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

​নির্বাচনের আগের রাতের চিত্র: ‘গোপন কারচুপি’র অভিযোগ

​দেশের অন্তত ৪২টি সংসদীয় আসনে গতকাল রাত থেকেই ‘গোপন কারচুপি’র অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অনেক জায়গায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যালট বাক্সে ভোট ভরে রাখার খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে বহিরাগতদের আনাগোনা এবং ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনা ছিল চোখে পড়ার মতো।

​কেন্দ্র দখল ও হামলা

​সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালায় প্রভাবশালী মহলের অনুসারীরা।

  • লক্ষ্মীপুর ও বগুড়া: কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ব্যালট সিলসহ ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে। এমনকি কিছু এলাকায় পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
  • সহিংসতা: গত ২৪ ঘণ্টায় নির্বাচনী সহিংসতায় সারা দেশে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। অন্তত ৩০০ এর বেশি এলাকাকে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নড়াইল এক্সপ্রেস উল্টে নিহত ২, আহত অন্তত ২০!

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নড়াইল এক্সপ্রেস উল্টে নিহত ২, আহত অন্তত ২০!

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ভাঙ্গা (ফরিদপুর):
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
​বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সুয়াদি এলাকার সিসিপিএল পেট্রোল পাম্পের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে নড়াইলগামী ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাস জ্বালানি নেওয়ার জন্য পাম্পে প্রবেশ করছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের ওপর উল্টে যায়।
​নিহতদের মধ্যে একজন বাসের সুপারভাইজার শরিফুল ইসলাম। অন্য নিহতের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
​ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “দুর্ঘটনায় দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। গুরুতর আহত ১০ জনসহ অন্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ছবি সংগৃহীত

নড়াইলে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নজরুল মুন্সির মৃত্যু

নড়াইলে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নজরুল মুন্সির মৃত্যু

​নড়াইলে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মোঃ নজরুল মুন্সি (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ রোববার বিকেলে সদর উপজেলার নাকসী মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নজরুল মুন্সি নড়াইল পৌর এলাকার ভওয়াখালী নিবাসী মরহুম গনি মুন্সির কনিষ্ঠ পুত্র।

​পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল পৌনে চারটার দিকে নজরুল মুন্সি মোটরসাইকেল যোগে নাকসী মাদ্রাসা এলাকা থেকে নড়াইল শহরের দিকে আসছিলেন। পথে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগামী পরিবহন পিছন থেকে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মারাত্মকভাবে আহত হন।

​দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

​নজরুল মুন্সির অকাল মৃত্যুতে ভওয়াখালী ও নাকসী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​পুলিশ ঘাতক বাসটিকে আটক করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

সেনা অভিযানে লোহাগড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ইয়াবা ও নগদ টাকা

সেনা অভিযানে লোহাগড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ইয়াবা ও নগদ টাকা

সেনা অভিযানে লোহাগড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ইয়াবা ও নগদ টাকা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় সেনাবাহিনীর অভিযানে এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা, নগদ টাকা ও স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সেনা সদস্যরা লোহাগড়া উপজেলার টিচর কালনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকার আশপাশে তল্লাশি অভিযান চালান।

অভিযানকালে ওই এলাকা থেকে আসলাম শেখ (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটক আসলাম শেখ গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের মো. আজগর শেখের ছেলে।

সেনা সদস্যরা আটককৃত ব্যক্তির কাছ থেকে ২৫০ পিস নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি স্মার্টফোন এবং নগদ ৩৮ হাজার ৯২০ টাকা উদ্ধার করেন।

পরবর্তীতে আটক ব্যক্তি ও জব্দকৃত মালামাল আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

৫০(পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কামাল মোল্যা নামের একজন গ্রেফতার।

৫০(পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কামাল মোল্যা নামের একজন গ্রেফতার।

সজিবুল ইসলাম নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত কামাল মোল্যা(৫০) নামের ০১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত কামাল মোল্যা(৫০) নড়াইল সদর থানাধীন তারাপুর গ্রামের মনা মোল্যার ছেলে। অদ্য ০৪ জানুয়ারি’২৬ রাত ২০ঃ৪০ ঘটিকার দিকে নড়াইল জেলার সদর থানাধীন সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের তারাপুর গ্রামস্থ জনৈক আবুলের বাড়ির সামনে ইটের রাস্তার উপর হতে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আব্দুল খালেক এর তত্ত্বাবধানে এসআই(নিঃ) মোঃ সাব্বির শেখ ও এএসআই(নিঃ) মোঃ আখতারুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে কামাল মোল্যা(৫০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ৫০(পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার মহোদয়ের নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিদায়- নেত্রী খালেদা জিয়া!

ঢাকা | ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ দেশের রাজনীতির এক বর্ণাঢ্য ও দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের কিছুক্ষণ পর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শেষ মুহূর্তের সঙ্গী যারা

​মৃত্যুর সময় হাসপাতালের শয্যাপাশে ছিলেন তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেছেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, ছোট ছেলের বউ শর্মিলা রহমান সিঁথি এবং তাঁর ভাই-বোনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

শারীরিক অসুস্থতা ও শেষ দিনগুলো

​বেগম জিয়া দীর্ঘ দিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার প্রক্রিয়া চললেও শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।

এক নজরে বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবন

​বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ছিল আন্দোলন, সংগ্রাম এবং ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল।

  • জন্ম ও শৈশব: ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম। বাবা ইস্কান্দার মজুমদার এবং মা তৈয়বা মজুমদার। ১৯৬০ সালে তিনি তৎকালীন ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
  • রাজনীতিতে আগমন: ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর দলের কঠিন সময়ে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
  • এরশাদবিরোধী আন্দোলন: নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ‘আপসহীন’ ভূমিকা তাঁকে গণমানুষের নেত্রীতে পরিণত করে। দীর্ঘ ৯ বছরের সংগ্রামে তিনি বারবার কারাবরণ ও গৃহবন্দী হলেও মাথানত করেননি।
  • প্রধানমন্ত্রিত্ব: ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালেও তিনি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরেন। মোট তিন মেয়াদে তিনি দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
  • সংস্কার ও উন্নয়ন: তাঁর শাসনামলে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি চালু এবং ভ্যাট (VAT) ব্যবস্থা প্রবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয়।
  • শেষ জীবন: ২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কারাবরণ করেন। পরবর্তীতে সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ও গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নিভৃতে সময় কাটিয়েছেন। ২০২৫ সালের শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে সব মামলা থেকে খালাস প্রদান করে।

​বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, শেখ হাসিনা সহ দেশী বিদেশী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংগঠন সহ রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন দেশ তার মৃত্যুর খবরে শোকবার্তা প্রদান করেছেন। তাঁর মরদেহ আজ জানাজা ও শ্রদ্ধার জন্য রাখা হবে এবং পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন হবে।