Wednesday, January 14, 2026
Home Blog

সেনা অভিযানে লোহাগড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ইয়াবা ও নগদ টাকা

সেনা অভিযানে লোহাগড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ইয়াবা ও নগদ টাকা

সেনা অভিযানে লোহাগড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ইয়াবা ও নগদ টাকা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় সেনাবাহিনীর অভিযানে এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা, নগদ টাকা ও স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সেনা সদস্যরা লোহাগড়া উপজেলার টিচর কালনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকার আশপাশে তল্লাশি অভিযান চালান।

অভিযানকালে ওই এলাকা থেকে আসলাম শেখ (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটক আসলাম শেখ গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের মো. আজগর শেখের ছেলে।

সেনা সদস্যরা আটককৃত ব্যক্তির কাছ থেকে ২৫০ পিস নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি স্মার্টফোন এবং নগদ ৩৮ হাজার ৯২০ টাকা উদ্ধার করেন।

পরবর্তীতে আটক ব্যক্তি ও জব্দকৃত মালামাল আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

৫০(পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কামাল মোল্যা নামের একজন গ্রেফতার।

৫০(পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কামাল মোল্যা নামের একজন গ্রেফতার।

সজিবুল ইসলাম নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত কামাল মোল্যা(৫০) নামের ০১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত কামাল মোল্যা(৫০) নড়াইল সদর থানাধীন তারাপুর গ্রামের মনা মোল্যার ছেলে। অদ্য ০৪ জানুয়ারি’২৬ রাত ২০ঃ৪০ ঘটিকার দিকে নড়াইল জেলার সদর থানাধীন সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের তারাপুর গ্রামস্থ জনৈক আবুলের বাড়ির সামনে ইটের রাস্তার উপর হতে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আব্দুল খালেক এর তত্ত্বাবধানে এসআই(নিঃ) মোঃ সাব্বির শেখ ও এএসআই(নিঃ) মোঃ আখতারুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে কামাল মোল্যা(৫০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ৫০(পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার মহোদয়ের নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিদায়- নেত্রী খালেদা জিয়া!

ঢাকা | ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ দেশের রাজনীতির এক বর্ণাঢ্য ও দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের কিছুক্ষণ পর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শেষ মুহূর্তের সঙ্গী যারা

​মৃত্যুর সময় হাসপাতালের শয্যাপাশে ছিলেন তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেছেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, ছোট ছেলের বউ শর্মিলা রহমান সিঁথি এবং তাঁর ভাই-বোনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

শারীরিক অসুস্থতা ও শেষ দিনগুলো

​বেগম জিয়া দীর্ঘ দিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার প্রক্রিয়া চললেও শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।

এক নজরে বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবন

​বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ছিল আন্দোলন, সংগ্রাম এবং ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল।

  • জন্ম ও শৈশব: ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম। বাবা ইস্কান্দার মজুমদার এবং মা তৈয়বা মজুমদার। ১৯৬০ সালে তিনি তৎকালীন ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
  • রাজনীতিতে আগমন: ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর দলের কঠিন সময়ে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
  • এরশাদবিরোধী আন্দোলন: নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ‘আপসহীন’ ভূমিকা তাঁকে গণমানুষের নেত্রীতে পরিণত করে। দীর্ঘ ৯ বছরের সংগ্রামে তিনি বারবার কারাবরণ ও গৃহবন্দী হলেও মাথানত করেননি।
  • প্রধানমন্ত্রিত্ব: ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালেও তিনি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরেন। মোট তিন মেয়াদে তিনি দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
  • সংস্কার ও উন্নয়ন: তাঁর শাসনামলে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি চালু এবং ভ্যাট (VAT) ব্যবস্থা প্রবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয়।
  • শেষ জীবন: ২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কারাবরণ করেন। পরবর্তীতে সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ও গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নিভৃতে সময় কাটিয়েছেন। ২০২৫ সালের শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে সব মামলা থেকে খালাস প্রদান করে।

​বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, শেখ হাসিনা সহ দেশী বিদেশী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংগঠন সহ রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন দেশ তার মৃত্যুর খবরে শোকবার্তা প্রদান করেছেন। তাঁর মরদেহ আজ জানাজা ও শ্রদ্ধার জন্য রাখা হবে এবং পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন হবে।

এনসিপির সংসার ছাড়লো তাসনিম জারা! বেরিয়ে এলো এনসিপির গোপন রহস্য!

এনসিপির সংসার ছাড়লো তাসনিম জারা! বেরিয়ে এলো এনসিপির গোপন রহস্য!

তাসনিম জারা

📑 সংবাদ প্রতি প্রহর

​জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির অন্যতম পরিচিত মুখ এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। একই সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন তার স্বামী ও দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ। গতকাল শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে এই ঘোষণা দেন ডা. জারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে তিনি এখন ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
​পদত্যাগের কারণ নিয়ে গুঞ্জন
​ডা. তাসনিম জারা তার পোস্টে “বাস্তবিক প্রেক্ষাপট” ও “নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে না থাকার” কথা উল্লেখ করলেও সরাসরি জামায়াতে ইসলামীর নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলের অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির সম্ভাব্য নির্বাচনী জোট বা আসন সমঝোতা নিয়ে মতবিরোধই এই পদত্যাগের মূল কারণ।

তাসনিম জারা

​গত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন চলছে যে, এনসিপি এবং জামায়াতে ইসলামী একটি নির্বাচনী মোর্চা গঠনের পথে হাঁটছে।
​আসন সমঝোতা: বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে।
​এই জোটের বিপক্ষে এনসিপির ভেতরে বড় একটি অংশ সরব হয়েছে। অন্তত ৩০ জন কেন্দ্রীয় নেতা জামায়াতের সঙ্গে জোট করার বিপক্ষে তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের এক পোস্টে দাবি করেছেন, “এনসিপি কার্যত জামায়াতের গর্ভে বিলীন হতে যাচ্ছে।” এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘মুখোশ টিম’ বা ‘বি-টিম’ তকমা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

​ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) আসনের ভোটারদের উদ্দেশ্যে তাসনিম জারা বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলের প্ল্যাটফর্ম থেকে লড়াই করার স্বপ্ন ছিল, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে স্বতন্ত্র হতে হচ্ছে।” এখন ১ দিনের মধ্যে প্রায় ৪,৭০০ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহ করা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী তহবিল থেকে যারা টাকা ফেরত চান, তাদের জন্য রিফান্ড ফর্মও শেয়ার করেছেন তিনি।

​এনসিপির শীর্ষ নেতারা বিষয়টিকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে এড়িয়ে গেলেও, সাধারণ ভোটার ও নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে—জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা কি তাহলে পুরোটাই জামায়েত ইসলামির মঞ্চস্থ্য নাটক? জামায়েত ই কি বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নামে তাদের শিবির বাহীনিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সাজিয়ে আন্দোলনে নামিয়েছিলো যেখানে ছদ্দবেশি শিবির নেতা কর্মীদের সাধারণ শিক্ষার্থী ভেবে বাকি ছাত্ররাও তাদের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতারিত হয়েছে?

ইতিমধ্যেই জুলাইয়ের অনেক আঁধার কেটে আলো বেরিয়েছে, অচিরেই হয়তো বেরিয়ে আসবে আরো গভীর কোন সত্য, নতুন কোনো সমীকরণ—তা সময় বলে দেবে।

মধ্যরাতে জুলাই যোদ্ধা সুরভী আটক

বহুল সমালোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী মধ্যরাতে টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার!

📑 সংবাদ প্রতি প্রহর

ব্ল্যাকমেইল, মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজী ও প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত ‘জুলাইযোদ্ধা’ তাহরিমা জান্নাত সুরভীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গভীর রাতে গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জুলাই যোদ্ধা সুরভী আটক

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি গুলশানের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জুলাই আন্দোলন–সংক্রান্ত মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। তদন্তে উঠে এসেছে, এই চক্রটির নেতৃত্বে ছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল পরিচিতি পাওয়া তাহরিমা জান্নাত সুরভী। প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা যায়, চক্রটি বিভিন্ন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইলিং ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকা আদায় করেছে বলে সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

জুলাই যোদ্ধা সুরভী আটক

অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময় গুলশান ও বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত একাধিক হত্যা মামলায় নাম জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে অর্থ আদায় করা হয়। মামলার আসামি বানানো, পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের আশঙ্কা দেখিয়ে এবং পরে ‘মীমাংসা’ করে দেওয়ার প্রলোভনে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।

তাহরিমা জান্নাত সুরভী গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাতদিন স্কুল ড্রেস পরিধান করে একেরপর এক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অশালীন বক্তব্যের ভিডিও, অশ্লীল ভঙ্গী, আওয়ামী বিরোধী উগ্র ব্যবহার, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও টার্গেট করা লাইভের মাধ্যমে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

জুলাই যোদ্ধা সুরভী আটক

পুলিশ আরও জানায়, নিজের ভাইরাল পরিচিতি ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতেন এবং পরবর্তীতে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সুরভীর বিরুদ্ধে আগেও একাধিক চাঁদাবাজী ও ধনী ব্যক্তিদের অবাধ মেলামেশার টোপ দিয়ে ব্লাকমেইলিং করারও একাধিক অভিযোগ রয়েছে যা পুলিশ খতিয়ে দেখবে বলে জানায়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

একেরপর এক জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী দের অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারনে দেশজুড়ে জুলাই আন্দোলনের মোটিভ নিয়ে ব্যপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

ছবি সংগৃহীত

নড়াইলে পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় পবিত্র কুরআন শরীফে অবমাননার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে নড়াগাতি থানা পুলিশ।

নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আঃ রহিম জানান, পবিত্র কুরআন শরীফে অবমাননার অভিযোগে কালিয়া উপজেলার খাসিয়াল ইউনিয়নের চোরখালি গ্রামের রুহুল মোল্লার ছেলে হামীম মোল্লা (১৮) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরও জানান, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উত্তেজিত জনতা পুলিশের কাছে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে হেফাজতে নেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে চোরখালি গ্রামে অভিযুক্ত হামীম মোল্লা পবিত্র কুরআন শরীফের অবমাননা করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষ করলে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরদিন বুধবার সকালে স্থানীয়রা তাকে খুঁজে পেয়ে মারধরের চেষ্টা করলে তিনি বড়দিয়া বাজারের ব্যবসায়ী জিয়ার দোকানে আশ্রয় নেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা অভিযুক্ত যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বড়দিয়া বাজারে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাজারের ব্যবসায়ীরা নড়াগাতি থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে।

এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিজয় দিবসে মহান মুক্তিযুদ্ধের চিরসমুজ্জ্বল সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

0

বিজয় দিবসে মহান মুক্তিযুদ্ধের চিরসমুজ্জ্বল সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

📑 সংবাদ প্রতি-প্রহরঃ

১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।

এই বিজয় ছিল বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ, সাহস এবং বীরত্বের এক চূড়ান্ত প্রকাশ, যা বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিশ্চিত করে। এটি ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সংগ্রামের সফল পরিণতি।
​জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম চালিকাশক্তি ও কেন্দ্রবিন্দু। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন স্বাধীনতার প্রতীক, যার দূরদর্শী নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় – প্রতিটি ধাপে তিনি স্বাধীনতার ভিত্তি প্রস্তুত করেন।

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি স্বাধীনতার ডাক দেন, যা কার্যত জাতিকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। ২৫শে মার্চের কালরাতে গ্রেপ্তারের পূর্বে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর অনুপস্থিতিতেই তাঁর নামে গঠিত হয় প্রবাসী মুজিবনগর সরকার, যা যুদ্ধ পরিচালনার আইনি ও রাজনৈতিক ভিত্তি প্রদান করে। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থেকেও তিনি ছিলেন মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। বঙ্গবন্ধুর এই অবিসংবাদিত নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ছাড়া স্বাধীনতা অর্জন অসম্ভব ছিল।
​বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় অন্যান্য জাতীয় নেতাগণ গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করেন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্ব দেন। বিশেষত, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ সুচারুভাবে সরকার পরিচালনা, আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় ও মুক্তিবাহিনীকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে অসামান্য দক্ষতা দেখান। প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী সামরিক কৌশল প্রণয়ন ও মুক্তিবাহিনীকে সংগঠিত করে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তাঁর অধীনে ১১টি সেক্টরের কমান্ডার, যার মধ্যে মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর কে এম শফিউল্লাহ সহ অন্যান্যরা বীরত্বের সঙ্গে সম্মুখ সমরে নেতৃত্ব দেন। এছাড়া, আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কর্মী, ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের (যেমন ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি) নেতারাও যার যার অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত স্বাধীনতাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করেন। প্রতিটি নেতার ভূমিকা ছিল একে অপরের পরিপূরক, কিন্তু সকল কার্যক্রমের মূল প্রেরণা ও দিকনির্দেশনা এসেছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব থেকেই।


মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ জাতীয় চার নেতা, সম্মুখ সমরে ও নেপথ্যে অংশগ্রহনকারী সকল বীর সেনা, ৩০ লক্ষ শহীদ, ২ লক্ষ সম্ভ্রমহারা মা-বোন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি জানাই বিজয়ী সালাম ও বিনম্র শ্রদ্ধা।

নড়াইলে যথাযথ মর্যাদায় বদ্ধিজীবি হত্যা দিবস পালিত।

নড়াইলে যথাযথ মর্যাদায় বদ্ধিজীবি হত্যা দিবস পালিত।

📑 সজিবুল ইসলাম, নড়াইল

১৪ ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিজয়ের প্রাক্কালে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে নড়াইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ সকাল ৭:০০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পরিষদ, নড়াইল পৌরসভা, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত ও দোয়া করা হয়।
নড়াইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ সময় বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনপূর্বক বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করেন জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার, সুযোগ্য পুলিশ সুপার, নড়াইল মহোদয়।
সজিবুল ইসলাম নড়াইল জেলা
এ সময় জনাব নূর-ই আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ); জনাব মোঃ রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস্) সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সরকার বিরোধী ও আওয়ামী প্রচারণায় অধিক সক্রিয় প্রায় ১৭ লক্ষ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয়!

0

সরকার বিরোধী ও আওয়ামী প্রচারণায় অধিক সক্রিয় প্রায় ১৭ লক্ষ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয়!

📑 অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ

সরকার বিরোধী ও আওয়ামী প্রচারণায় অধিক সক্রিয় প্রায় ১৭ লক্ষ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয়তার খবরে ​বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে এক বিশাল চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক সূত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে, চলমান সরকার বা সরকারের পৃষ্ঠপোষকে একটি বিশেষ সাইবার নজরদারি সেল গঠন করে গত দুই সপ্তাহে আনুমানিক ১৭ লক্ষের অধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ডিসাবল বা স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে এই অ্যাকাউন্টগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য ছিল—এরা চলমান সরকারবিরোধী অথবা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে অনলাইন প্রচারণায় যুক্ত ছিল।

​সূত্রের খবর অনুযায়ী, সাইবার জগতে ভুল তথ্য (Disinformation), বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (Hate Speech) এবং রাজনৈতিক উস্কানি ছড়ানো ঠেকাতেই এই ‘বিশেষ নজরদারী সেল’ গঠন করা হয়। যে অ্যাকাউন্টগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হলো: ​বট ও ফেক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার, যাচাই-বাছাই না করা বা ছদ্মনাম ব্যবহার করে তৈরি করা অসংখ্য ফেক বা ভেরিফিকেশন বিহীন অ্যাকাউন্ট। দিনে অস্বাভাবিক সংখ্যক পোস্ট, কমেন্ট বা শেয়ার করে জনমতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা, সরকারের গূরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আইডি বা পোষ্ট গুলোতে উপহাসমূলক ‘হা হা’ বা ‘এ্যাংরি’ রিয়াক্ট দিয়ে রাজনৈতিক গ্রহনযোগ্যতা কমানো বা সরকারী বার্তা বা নির্দেশনাগুলোকে অগ্রহনযোগ্য হিসাবে প্রকাশের প্রচেস্টা করা এসব আইডি ডিসাবলের মূল কারণ হতে পারে।

​নিষ্ক্রিয় হওয়া প্রায় ১৭ লক্ষ অ্যাকাউন্টের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ দুই ভাগে বিভক্ত: ​সরকারবিরোধী সক্রিয় অ্যাকাউন্ট: যারা সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ক্রমাগত সমালোচনামূলক বা নেতিবাচক প্রচারণায় লিপ্ত ছিল।
​আওয়ামী লীগের পক্ষে অধিক সক্রিয় অ্যাকাউন্ট: যারা ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে একচেটিয়া ইতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছিল এবং বিরোধী মতকে আক্রমণ করছিল।
​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ সাইবার স্পেসকে ‘পরিষ্কার’ করার সরকারি উদ্যোগ হতে পারে। উদ্দেশ্য হলো, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অনলাইন জগতে ভুল তথ্যের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠেকানো বা অনলাইন জনমত জরিপকে নিয়ন্ত্রন করা। তবে একই সঙ্গে এটি বাকস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
​প্রশ্ন উঠছে তথ্যের উৎস এবং আইনি ভিত্তি নিয়ে, ​এই বিপুল সংখ্যক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার ক্ষেত্রে ফেসবুকের মূল সংস্থা **’মেটা’ (Meta)-**এর ভূমিকা কী ছিল এবং বাংলাদেশের কোন আইনি কাঠামোর অধীনে এই নজরদারি সেল কাজ করেছে, তা নিয়ে এখনো সরকারিভাবে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই বিশেষ সেলের কার্যপ্রণালী এবং এর আইনি বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
​সাইবার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি এই অ্যাকাউন্টগুলো সত্যিই ফেসবুকের নীতিমালা (Community Standards) ভঙ্গ করে থাকে, তবে ‘মেটা’-র নিজস্ব ব্যবস্থা দ্বারাই তা নিষ্ক্রিয় হওয়ার কথা। সরকারি নজরদারি সেলের সরাসরি হস্তক্ষেপের খবরটি বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রনের বিষয়ে সরকারের কোন দপ্তরের বার্তা বা নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রমান না পাওয়া পর্যন্ত এবিষয়ে সঠিক কোন মতামত প্রচার সম্ভব হচ্ছে না। সরকারের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধির কাছে ফেসবুক নিস্ক্রিয় করার বিষয় জানতে চাওয়া হলে তারা সকলেই এটিকে নিছক গুজব বা অপপ্রচার বলে দাবী করেছেন।
​এ বিষয়ে পরবর্তী সরকারি বিবৃতি বা ফেসবুকের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য যোগাযোগ মাধ্যমের একাধিক অনুসন্ধানী দল নজর রাখছে।