Thursday, February 26, 2026
Home Blog

চিরবিদায় নিলেন ঐতিহাসিক ছবির সেই কিশোর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান নান্টু

চিরবিদায় নিলেন ঐতিহাসিক ছবির সেই কিশোর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান নান্টু

​নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ প্রতি প্রহর

​একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের এক অবিস্মরণীয় মুখ, কিশোর বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান নান্টু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চুয়াডাঙ্গা জেলার এই সূর্য সন্তান বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
​কাঁধে থ্রি নট থ্রি রাইফেল ঝোলানো, খালি গায়ে এক কিশোর যোদ্ধার সেই সাদা-কালো ছবিটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম এক দালিলিক চিত্র। দীর্ঘ সময় ধরে অনেকেই এই কিশোরের পরিচয় খুঁজছিলেন। পরবর্তীতে জানা যায়, ছবির সেই অদম্য কিশোরটি ছিলেন চুয়াডাঙ্গার নুরুজ্জামান নান্টু।

১৯৭১ সালে যখন দেশমাতৃকার টানে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন, তখন তিনি ছিলেন নিতান্তই এক কিশোর। বয়সের সীমাবদ্ধতাকে জয় করে তিনি সম্মুখ সমরে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধের সময় তোলা তাঁর সেই ছবিটি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।

তাঁর মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গাসহ সারা দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা তাঁর সেই ঐতিহাসিক ছবি শেয়ার করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, নান্টু ভাইয়ের মৃত্যুতে আমরা জীবন্ত এক ইতিহাসকে হারালাম।

মরহুমের জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
​বাংলার এই বীর সন্তানের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লাল-সবুজ পতাকার ইতিহাসে।

অভয়নগরে ইফতারের পর যুবদল নেতাদের ওপর জামাত-শিবিরের হামলা|একজনের অবস্থা শঙ্কাজনক

অভয়নগরে ইফতারের পর যুবদল নেতাদের ওপর জামাত-শিবিরের হামলা|একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

​অভয়নগর প্রতিনিধি, যশোর |
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

​যশোরের অভয়নগরে ইফতার পরবর্তী সময়ে যুবদল নেতাদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় উপজেলার বাগুটিয়া ও পাইকপাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় অভয়নগর থানা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল শেখসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভয়নগরে ইফতারের পর যুবদল নেতাদের ওপর জামাত-শিবিরের হামলা|একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬শে ফেব্রুয়ারি ইফতারের পরপরই জামায়াতের যুব শাখা অভয়নগরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মাসুদ শেখের নেতৃত্বে জামাত- শিবিরের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী এই হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অতর্কিত এই হামলায় দেশীয় অস্ত্র ও চাইনিজ কুড়াল ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন ইকবাল শেখ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, অভয়নগর থানা যুবদল (পিতা: সরোয়ার শেখ), মোঃ খালিদ শেখ (পিতা: সরোয়ার শেখ, সাং- বাগুটিয়া), ইউসুফ শেখ (সাং- পাইকপাড়া), জাকির শেখ (সাং- ভাটপাড়া)।

আহতদের মধ্যে মোঃ খালিদ শেখের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে এবং মাথায় চাইনিজ কুড়াল দিয়ে করা কোপে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।

অভয়নগরে ইফতারের পর যুবদল নেতাদের ওপর জামাত-শিবিরের হামলা|একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক


এই ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচার দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সংক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের “জঙ্গি স্টাইলে” হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ১২ তারিখের নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের তণ্ডব একটি অশনিসংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই নৃশংস হামলার ঘটনায় দোষীদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই হামলাকে সুপরিকল্পিত উল্লেখ করে হামলাকারী সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজেদের জালে উপদেষ্টারা | মবের ভয় ও আতঙ্কে সরকারি ভবন ছাড়তে টালবাহানা

নিজেদের সৃষ্ট মব আতঙ্কে উপদেষ্টারা | ভয় ও আতঙ্কে সরকারি ভবন ছাড়তে টালবাহানা

​নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ প্রতি প্রহর

​নিজেদেরই সৃষ্ট ও পরিচালিত ‘মব কালচার’ বা বিশৃঙ্খল জনরোষের ভয়ে এখন খোদ উপদেষ্টাদের মধ্যেই চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দায়িত্ব ছাড়ার পরেও অনেক সাবেক উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন ছাড়তে সাহস পাচ্ছেন না। অভিযোগ উঠেছে, আইনি মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও নানা টালবাহানা করে তারা অবৈধভাবে সরকারি ভবনগুলো দখল করে রাখছেন।

​সূত্রমতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে গড়ে ওঠা ‘মব’ বা অনিয়ন্ত্রিত জনতা যেভাবে সচিবালয় বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামনে বিক্ষোভ করছে, তাতে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাবেক উপদেষ্টারা। তাদের ধারণা, সরকারি বাসভবন থেকে বের হয়ে সাধারণ মানুষের কাতারে গেলে তারা জনরোষের মুখে পড়তে পারেন। এই ‘নিরাপত্তাহীনতার’ অজুহাতেই তারা বাসভবন ছাড়তে গড়িমসি করছেন।

​অবৈধ অবস্থানের অভিযোগ
​নিয়ম অনুযায়ী, দায়িত্ব হস্তান্তরের একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি বাংলো বা ফ্ল্যাট খালি করার বিধান থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে ​একাধিক সাবেক উপদেষ্টা নির্ধারিত সময়ের পরও ভবনে অবস্থান করছেন। ​কেউ কেউ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। ​মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মতে, এই অবৈধ অবস্থানের ফলে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের আবাসন সংকটে পড়তে হচ্ছে।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যখন কোনো সরকার বা প্রশাসন নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা মবকে আশকারা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় বা প্রভাব বিস্তার করে, শেষ পর্যন্ত সেই মব তাদের জন্যই ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এখন উপদেষ্টাদের এই ভবন ত্যাগের অনীহা মূলত তাদের জনবিচ্ছিন্নতা এবং নিজেদের তৈরি পরিস্থিতির প্রতি অবিশ্বাসেরই প্রতিফলন।

​সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নিয়ে কড়া সমালোচনা করছেন। তাদের দাবি, যারা সুশাসনের কথা বলে ক্ষমতায় আসেন, তাদের নিজেদেরই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলা সরকারি বাসভবনে অবৈধভাবে অবস্থান করা অনৈতিক এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।

এনসিপি নেতা হান্নান মাসুদের উপর ডিম ও পায়খানা নিক্ষেপ | গণপিটুনি ও গাড়ি ভাঙচুর, এলাকায় অবাঞ্ছিত

এনসিপি নেতা হান্নান মাসুদের উপর ডিম ও পায়খানা নিক্ষেপ | গণপিটুনি ও গাড়ি ভাঙচুর, এলাকায় অবাঞ্ছিত

​নিজস্ব প্রতিবেদক, হাতিয়া | সংবাদ প্রতি প্রহর তারিখ: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

​নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসুদ নিজ এলাকায় ভয়াবহ জনরোষের শিকার হয়েছেন। রাষ্ট্র ও সংবিধান বিরোধী অশালীন এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের জেরে আজ বুধবার বিকেলে হাতিয়ায় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে লক্ষ্য করে পচা ডিম ও মল নিক্ষেপ করে এবং একপর্যায়ে তাকে গণপিটুনি দিয়ে এলাকা ছাড়া করে।

এনসিপি নেতা হান্নান মাসুদের উপর ডিম ও পায়খানা নিক্ষেপ


​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন সভা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবদুল হান্নান মাসুদ বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো এবং সংবিধানের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ও অশালীন মন্তব্য করে আসছিলেন। দেশের সর্বোচ্চ আইনের প্রতি তার এমন অবমাননাকর আচরণে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

​আজ বিকেলে হান্নান মাসুদ তার অনুসারী ও কিছু বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে এলাকায় শোডাউন দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী সহ সাধারণ জনতা তার গতিরোধ করে। এসময় তার সাথে থাকা সন্ত্রাসীরা সাধারণ মানুষের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে চড়াও হয়। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে সাধারণ জনগণ একজোট হয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

এনসিপি নেতা হান্নান মাসুদের উপর ডিম ও পায়খানা নিক্ষেপ | গণপিটুনি ও গাড়ি ভাঙচুর


​বিক্ষুব্ধ জনতার তোপের মুখে হান্নান মাসুদের সাথে থাকা বহিরাগতরা পালিয়ে গেলেও তিনি জনগণের হাতে আটকা পড়েন। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে লক্ষ্য করে পচা ডিম ও মল নিক্ষেপ করে চরম ঘৃণা প্রদর্শন করে। একপর্যায়ে তাকে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং তার ব্যবহৃত গাড়িটি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে স্থানীয় প্রবীণদের হস্তক্ষেপে তাকে উদ্ধার করে এলাকা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

​ঘটনার পরপরই হাতিয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, “যিনি দেশের সংবিধান মানেন না এবং অশালীন ভাষায় কথা বলেন, হাতিয়ার মাটিতে তার কোনো স্থান নেই।” উপস্থিত জনতা সর্বসম্মতিক্রমে তাকে হাতিয়ায় ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে এবং ভবিষ্যতে তাকে এলাকায় প্রবেশ করতে না দেওয়ার অঙ্গীকার করে।
​এই ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে আবদুল হান্নান মাসুদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন জরুরি|ভুক্তভোগী দেশবাসীর প্রত্যাশা

শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন জরুরি|ভুক্তভোগী দেশবাসীর প্রত্যাশা

​নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ প্রতি-প্রহর

​বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বড় অংশের মানুষের মধ্যে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশ যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাতে সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে বিশ্লেষকদের অনেকেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। বিশেষ করে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার অভাব একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেখ হাসিনা

​বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশের যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, তার মূলে ছিল শেখ হাসিনার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পগুলো দেশের অর্থনীতিতে যে গতি এনেছিল, বর্তমান অস্থিতিশীলতায় তা থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সাধারণ মানুষের মতে, বড় ধরনের কোনো বৈদেশিক ষড়যন্ত্র বা ‘ভুল বোঝাবুঝি’র ফাঁদে পড়ে আজ দেশের প্রবৃদ্ধি হুমকির মুখে। উন্নয়নের এই চাকা সচল রাখতে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন।

​সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে আসছে যে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তনটি কেবল অভ্যন্তরীণ আন্দোলন ছিল না, বরং এর পেছনে কাজ করেছে সুগভীর এক বিদেশি চক্র। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানকে ব্যবহার করতে চাওয়া বিশেষ কিছু শক্তির ‘পাতানো ফাঁদে’ পা দিয়েছিল একদল বিভ্রান্ত তরুণ ও সুযোগসন্ধানী পক্ষ। আজ যখন সাধারণ মানুষ দেখছে যে সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেওয়ার ভয় বাড়ছে এবং বিদেশি প্রভাব প্রকট হচ্ছে, তখন তারা পুনরায় শেখ হাসিনার সেই কঠোর ও আপোষহীন নেতৃত্বের অভাব বোধ করছে।

​আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা জনমনে ভীতির সৃষ্টি করেছে। শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদ দমন এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার যে সুদৃঢ় অবস্থান ছিল, বর্তমানে তা শিথিল হয়ে পড়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এখন মনে করছে যে, তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগের মতো একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক শক্তির রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা আবশ্যক।

​আবেগ আর গুজবের বশবর্তী হয়ে যারা একসময় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিল, তাদের বড় একটি অংশ এখন বাস্তবতার মুখোমুখি। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রশাসনিক স্থবিরতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চিত্র দেখে দেশবাসী বুঝতে পারছে যে তারা একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। “দেশবাসী ভুল বুঝতে পেরে আবারো শেখ হাসিনাকে চাচ্ছে”—এই দাবিটি এখন আর কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং গ্রামীণ জনপদ থেকে শুরু করে নগরের চায়ের আড্ডাতেও একটি আলোচিত বিষয়।

​রাষ্ট্র পরিচালনা কোনো আবেগের বিষয় নয়, এটি অভিজ্ঞতার বিষয়। শেখ হাসিনার দীর্ঘ ৪ দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বৈশ্বিক নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্ক বাংলাদেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল, বর্তমান নেতৃত্ব তা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। দেশের সংকটময় মুহূর্তে একজন অভিজ্ঞ অভিভাবকের প্রয়োজনীয়তা আজ সর্বাধিক।
​বাংলাদেশ আজ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বিদেশি শক্তির দাবার ঘুঁটি হওয়া থেকে বাঁচতে এবং উন্নয়নের হারানো গৌরব ফিরে পেতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের পুনঃপ্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সমর্থক ও সচেতন নাগরিকেরা।

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

​বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে একটি চাঞ্চল্যকর আলোচনা ডালপালা মেলছে। গুঞ্জন উঠেছে, রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের হাত ধরেই কি ফের দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছে আওয়ামী লীগ? ভারত ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে কোনো গোপন ‘মিশন’ বা সমঝোতা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন এখন টক অফ দ্য টাউন।
​নেপথ্যের রসায়ন ও সম্ভাব্য ‘মিশন’
​সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে কিছু নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের দীর্ঘদিনের মিত্র আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে পর্দার আড়ালে ব্যাপক তৎপরতা চলছে। অন্যদিকে, নির্বাচনের পর আওয়ামী মনোভাবে তারেক রহমান ও বিএনপির আকষ্মিক নমনীয় অবস্থান নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেয়।
​গুঞ্জন রয়েছে যে, আমেরিকার চতূর আগ্রাসনের বিপক্ষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে রাষ্ট্রের শীর্ষ দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি—রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান—সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এর কোনো ভিত্তি এখনও পাওয়া যায়নি।



​এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের খবরে একাত্তর বিরোধী পাকিস্থানী বা মৌলবাদী চেতনাধারী চরমপন্থী শক্তি এবং কট্টর আওয়ামী বিরোধীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা বা ‘ভূতুড়ে আর্তনাদ’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত ৫ই আগস্টের পর যারা মনে করেছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির অধ্যায় চিরতরে সমাপ্ত, তাদের জন্য এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ একটি বড় ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নির্বাচনে জটিল পরিস্থিতি থেকে আকষ্মিক বিএনপির ভাগ্য খুলে যাওয়ার পিছনে আওয়ামী লীগের নেপথ্য কারিগরি কৌশলকেই মানা হচ্ছে। নির্বাচনের পরপরই বিএনপির গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, দেশব্যাপী ঝড়ের বেগে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে দেওয়া, আটক নেতা কর্মীদের অবাধ জামিন সহ এনসিপি-জামায়েতের শীর্ষ নেতা কর্মীদের উপর গণহামলা ইত্যাদি কারনে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের সুখবর জোরালো হচ্ছে।

​রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে মফস্বলের চায়ের দোকান—সবখানেই এখন একই আলোচনা। মানুষ জানতে চায়, আসলেই কি কোনো বড় পরিবর্তন আসছে? নাকি এটি কেবলই রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। যেহেতু ভূরাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থবিড়তা ভারতের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল সেহুতু ভারত আইনগতভাবেই বাংলাদেশ বিষয়ে তার সর্বচ্চো কুটনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতা আরোপ করবেই। এছাড়াও দক্ষিন এশিয় আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে রাশিয়া, চীন সহ আমেরিকা বিরোধী সকল রাষ্ট্রই বাংলাদেশ-ভারতের নিরাপদ সুসম্পর্ককেই প্রাধান্যে রাখবে।

নড়াইলে মালিবাগ মোড় থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

নড়াইলে মালিবাগ মোড় থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

​নিজস্ব প্রতিবেদক, নড়াইল | সংবাদ প্রতি প্রহর

​নড়াইল জেলা শহরের মালিবাগ মোড় এলাকা থেকে এক নবজাতক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকটির মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল শহরের ব্যস্ততম মালিবাগ মোড় এলাকায় রাস্তার পাশে একটি কাপড়ে মোড়ানো বস্তু পড়ে থাকতে দেখে পথচারীদের সন্দেহ হয়। কৌতূহলবশত কাছে গিয়ে তারা একটি নবজাতকের নিথর দেহ দেখতে পান। মুহূর্তেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমায়। পরে বিষয়টি নড়াইল থানা পুলিশকে জানানো হয়।



খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে শিশুটিকে এখানে ফেলে গেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
​নড়াইল সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনার পেছনে কারোর অবহেলা বা কোনো অপরাধমূলক ঘটনা জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
​এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নবজাতকের পরিচয় বা তার পরিবারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
(ছবি সংগৃহীত)

নড়াইলে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ | এখন পর্যন্ত নিহত ৫!

নড়াইলে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ | এখন পর্যন্ত নিহত ৫!

নড়াইলে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ | এখন পর্যন্ত নিহত ৫!

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬|| দুপুর ১২.২০

নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ এবং খলিল গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নড়াইল সদর থানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বার্তা বাজারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন, উপজেলার বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার পুত্র তাহাজ্জুদ হোসেন একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন এবং সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও খলিল এর লোকজনের মাঝে মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার পুত্র তাহাজ্জুদ হোসেন ও পক্ষীয় ফেরদৌস হোসেন মারা যান। এসময় গুরুতর আহত অপর পক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর সহ আরো কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন, বেলা ১১ টার দিকে আরো একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বার্তা বাজারকে বলেন, ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারা দেশে ভোটের আগের দিন থেকেই ভোটগ্রহণ চলছে, শুরুর আগেই নির্বাচন শেষ

সারা দেশে ভোটের আগের দিন থেকেই ভোটগ্রহণ চলছে: কেন্দ্র দখল ও কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত জনপদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ প্রতি প্রহর

ঢাকা: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

​দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। তবে উৎসবমুখর পরিবেশের পরিবর্তে অনেক স্থানেই আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা দানা বেঁধেছে। নির্বাচনের আগের রাত থেকেই বিভিন্ন জেলায় ব্যালট পেপারে আগাম সিল মারা, ভোটকেন্দ্র দখল এবং বিরোধী প্রার্থীদের সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

​নির্বাচনের আগের রাতের চিত্র: ‘গোপন কারচুপি’র অভিযোগ

​দেশের অন্তত ৪২টি সংসদীয় আসনে গতকাল রাত থেকেই ‘গোপন কারচুপি’র অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অনেক জায়গায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যালট বাক্সে ভোট ভরে রাখার খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে বহিরাগতদের আনাগোনা এবং ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনা ছিল চোখে পড়ার মতো।

​কেন্দ্র দখল ও হামলা

​সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালায় প্রভাবশালী মহলের অনুসারীরা।

  • লক্ষ্মীপুর ও বগুড়া: কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ব্যালট সিলসহ ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে। এমনকি কিছু এলাকায় পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
  • সহিংসতা: গত ২৪ ঘণ্টায় নির্বাচনী সহিংসতায় সারা দেশে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। অন্তত ৩০০ এর বেশি এলাকাকে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নড়াইল এক্সপ্রেস উল্টে নিহত ২, আহত অন্তত ২০!

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নড়াইল এক্সপ্রেস উল্টে নিহত ২, আহত অন্তত ২০!

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ভাঙ্গা (ফরিদপুর):
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
​বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সুয়াদি এলাকার সিসিপিএল পেট্রোল পাম্পের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে নড়াইলগামী ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাস জ্বালানি নেওয়ার জন্য পাম্পে প্রবেশ করছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের ওপর উল্টে যায়।
​নিহতদের মধ্যে একজন বাসের সুপারভাইজার শরিফুল ইসলাম। অন্য নিহতের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
​ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “দুর্ঘটনায় দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। গুরুতর আহত ১০ জনসহ অন্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ছবি সংগৃহীত