Wednesday, February 25, 2026
Homeজাতীয়ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী...

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী

ভারত-তারেকের মিশন | চুপ্পু-ওয়াকারের হাতধরে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন | ৭১ ও আওয়ামী বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

বিরোধী শিবিরে ভূতুঁড়ে আতঙ্ক!

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

​বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে একটি চাঞ্চল্যকর আলোচনা ডালপালা মেলছে। গুঞ্জন উঠেছে, রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের হাত ধরেই কি ফের দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছে আওয়ামী লীগ? ভারত ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে কোনো গোপন ‘মিশন’ বা সমঝোতা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন এখন টক অফ দ্য টাউন।
​নেপথ্যের রসায়ন ও সম্ভাব্য ‘মিশন’
​সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে কিছু নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের দীর্ঘদিনের মিত্র আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে পর্দার আড়ালে ব্যাপক তৎপরতা চলছে। অন্যদিকে, নির্বাচনের পর আওয়ামী মনোভাবে তারেক রহমান ও বিএনপির আকষ্মিক নমনীয় অবস্থান নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেয়।
​গুঞ্জন রয়েছে যে, আমেরিকার চতূর আগ্রাসনের বিপক্ষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে রাষ্ট্রের শীর্ষ দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি—রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান—সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এর কোনো ভিত্তি এখনও পাওয়া যায়নি।



​এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের খবরে একাত্তর বিরোধী পাকিস্থানী বা মৌলবাদী চেতনাধারী চরমপন্থী শক্তি এবং কট্টর আওয়ামী বিরোধীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা বা ‘ভূতুড়ে আর্তনাদ’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত ৫ই আগস্টের পর যারা মনে করেছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির অধ্যায় চিরতরে সমাপ্ত, তাদের জন্য এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ একটি বড় ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নির্বাচনে জটিল পরিস্থিতি থেকে আকষ্মিক বিএনপির ভাগ্য খুলে যাওয়ার পিছনে আওয়ামী লীগের নেপথ্য কারিগরি কৌশলকেই মানা হচ্ছে। নির্বাচনের পরপরই বিএনপির গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, দেশব্যাপী ঝড়ের বেগে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে দেওয়া, আটক নেতা কর্মীদের অবাধ জামিন সহ এনসিপি-জামায়েতের শীর্ষ নেতা কর্মীদের উপর গণহামলা ইত্যাদি কারনে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের সুখবর জোরালো হচ্ছে।

​রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে মফস্বলের চায়ের দোকান—সবখানেই এখন একই আলোচনা। মানুষ জানতে চায়, আসলেই কি কোনো বড় পরিবর্তন আসছে? নাকি এটি কেবলই রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। যেহেতু ভূরাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থবিড়তা ভারতের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল সেহুতু ভারত আইনগতভাবেই বাংলাদেশ বিষয়ে তার সর্বচ্চো কুটনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতা আরোপ করবেই। এছাড়াও দক্ষিন এশিয় আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে রাশিয়া, চীন সহ আমেরিকা বিরোধী সকল রাষ্ট্রই বাংলাদেশ-ভারতের নিরাপদ সুসম্পর্ককেই প্রাধান্যে রাখবে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment - Advertisement

আলোচিত

মন্তব্য